ধৃতিনিষ্ঠায় যা’রাই চলে—
শক্ত-পোক্ত সদাচার,
শিষ্ট জীবন-তপা যা’রা—
পায় জীবনের সুপ্রসার।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-২, ধর্ম্ম-৪০
স্বতঃদ্রুতির ক্ষরণে যেথায়
সাত্বত ধৃতি-উৎসৃজন,
রজঃ-বীর্য্যের মিলন-ধারায়
করছে সৃষ্টি আর পালন।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৩, প্রজনন-২২
কেমনতর কীৰ্ত্তি নিয়ে
কোথায় কেমন হবি উছল,
নিষ্ঠানিপুণ অন্তরেতে
ঐ সম্বেগই হয় সবল।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৭, নিষ্ঠা-৪৩
জীবনটা তো কোলাহলই
হলাহল তো পেছন ধায়,
কুড়িয়ে নে তুই অমর চলন
চল্ ভেসে চল্ মলয় বায়।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-২, সাধনা-৩৬
ধাপ্পাবাজি ফাঁকির তোড়ে
স্বার্থলোলুপ গর্জ্জনে
ইষ্টনিষ্ঠা ছাড়িস্ নাকো—
ব্যতিক্রমী তর্জ্জনে ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৪, সাধনা-২০
অসৎকে তুই করিস্ সখী
সৎ-আরতি নিয়ে,
সৎকে তেমনি উছল করিস্
শিষ্ট অর্ঘ্য দিয়ে ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৬, নীতি-৮
পরিবেশের পরিবেশন
লালন-পালন করছে তোমায়,
বাঁচে কি কেউ ওটি ছাড়া ?
বাড়ে কি কেউ বর্দ্ধনায় ?
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৪, সমাজ-১৮
পিতৃপুরুষ কৃষ্টি যদি
থেকেই থাকে তোর বজায়,
যে-পথ ধ’রেই চলিস্ ধৰ্ম্মে
জাত কি তাতে নিপাত যায়?
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-১, ধৰ্ম্ম-৩০
ত্রুটিদর্শী ভর্ৎসনাতেও
নিটোল অনুরাগ,
কৰ্ম্মনিপুণ অভিনিবেশে
দরদদীপ্ত যাগ;
দোষত্রুটি যার নিখুঁত চলার
যোগায় সঙ্কেতবাণী——
এমনি ক’রে শুদ্ধ চলায়
তৃপ্ততপা প্রাণী;
আর্য্য-ঘরে এমনি মেয়ে
নিত্য আলো ধরে,
কৰ্ম্ম-ব্যজন সেবা-পূজন
সব নিয়মন করে;
ধরিত্রীরই মূর্ত্তি তা’র
উমার দোসর মেয়ে,
ঐ দেখ্ না ঐ পথে যায়
ভজন-মন্ত্র গেয়ে।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৩, নারী-৫৭
প্রেমী কা’রে কয় শুনবি ওরে?
শোনরে প্রেমী সেই—
নিজের স্বার্থ উজাড় ক’রে
প্ৰেষ্ঠস্বার্থী যেই ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-১, সংজ্ঞা-৪১
