জানার পাল্লা ছাপিয়ে
ব’য়ে কৃতকৰ্ম্মফল
যে রূপ ধ’রে দাঁড়িয়ে থাকে—
অদৃষ্ট তা’য় বল্ ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-১, সংজ্ঞা-৫৬
অনুকম্পী অনুশ্রয়ে
বোধবিবেকী বিবেচনা,
এতে যদি অভ্যস্ত না হো’স্
ধী-দীপনা বাড়বে না।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৩, বিবিধ-২৭
পারম্পর্য্যে ইষ্টজেরটি
যখনই যে ভাঙ্গল,
গণসমষ্টির ব্যষ্টিমূর্ত্তি
তখনই সে মারল ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-১, ধৰ্ম্ম-৪৮
যে-আচারে বাঁচে-বাড়ে
উন্নতি অবাধ,
তা’কেই সদাচার বলে
তাই জীবনে সাধ ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৭, সংজ্ঞা-৯
নিষ্ঠারতির অনুরাগে
কৃতিদক্ষ হবে যত,
অর্থান্বিত বিনায়নে
নাম-মহিমা বুঝবে তত।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৩, সাধনা-৫৫
তুই যা’ করিস্, ধরিস্ যা’ তুই
পাস্ও তেমনি তাহার ফল,
ঐ তো বিচার ভগবানের—
আকাশে ওঠে সাগর-জল।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-২, বিধি-৮৬
ভজন তবে কোথায়?
আশ্রয়, দান, সেবান, রাগ
উঠল ফুটে যেথায়।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৭, সাধনা-২
শিল্পী মাথা শিল্পঘরে
তবেই দেশে লক্ষ্মী ধরে ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-১, শিল্প-১১
তোমার কাছে যদি কেউ আসে—
দেখে নিও স্বার্থ নেশা,
স্বার্থলোভটি দেখে বুঝলে—
নেই তোমাতে ভালবাসা ;
তোমার জন্য আসে নাই সে
নাই তোমাতে ভালবাসা,
প্রীতিচর্য্যা নাই যেখানে—
বোধ ফোটে না, ফোটে না দিশা;
স্বার্থলোভী তা’রা কিন্তু
মুচ্ড়িয়ে তোমায় স্বার্থেই চায়,
স্বার্থ ভাওতার নানান রূপে
দিতে থাকে পরিচয় ;
অমনতর লোক দিয়ে তোমার
নষ্ট ছাড়া হবে না কিছু,
এগিয়ে যাওয়ার পথটি রুখে
স্বার্থলোভেই চলবে পিছু।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৩, মনোবিজ্ঞান-৩৩
প্রেরিতে বিভেদ নাই যাহাদের
রসুল ব’লে মানে,
উপকারীর স্বতঃই গোলাম
মরেও যদি প্রাণে,
শান্তিবাদী শান্তি-সন্ত্রী
দীপ্ত-পূরণপ্রীতি,
সন্ধ্যা পাঁচে উপবাসে
গায় ঈশত্বের গীতি;
সব প্রেরিতের পূরণ-মতের
সেবক-সাধক প্রাণ,
পূর্ব্বপুরুষ সূত্র-ছেঁড়া
নয়কো ইতর টান;
একেশ্বরে হৃদয় ঢালা
শান্ত মতিমান,
জনসেবী জীবন-উপাসক
তা’রাই মুসলমান;
এমনতর রেশও যেথায়
নয়কো বিদ্যমান,
রসুল প্রেমের মুখোসপরা
শঠকপটী প্রাণ ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-১, ধৰ্ম্ম-৬৩
