সৎ-অর্জ্জনা ঊর্জ্জনা আনে
বাড়ে জীবন, বাড়ে বল,
অসৎ তেমনি ক্ষয়িষ্ণু হয়
জীবনও হয় টলমল্ ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৪, জীবনবাদ-৯১
অশিষ্ট যা’র নিষ্ঠা-চলন
স্বার্থলুব্ধ যা’দের মন,
ধাপ্পাবাজির ধাঁজেই চলে
ব্যস্ত করতে স্বার্থ-সাধন।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৩, নিষ্ঠা-৮৩
সত্তাতে রয় জীবনবাণী
চাহিদা রয় অন্তরে,
তা’কে যদি সুদীপ করিস্,
তৃপ্তি র’বে বুক ভ’রে ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৭, জীবনবাদ-১০
তুই যদি কা’রো কথা শুনে
বিহিত চলায় নাই চলিস্,
অন্য কেউ কি তোর কথাটি
শুনে চলবে যাই বলিস্?
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৩, নীতি-৫
গোবর্দ্ধনধারী যিনিই জগতে,
সবারই বর্দ্ধন তা’র চলনেতে।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৪, আদর্শ-৯
নিষ্ঠানিপুণ বোধি দিয়ে
ধৰ্ম্মটাকে বুঝে নাও,
ধৃতির পথে চ’লে চালিয়ে
উদ্বর্দ্ধনের দিকে ধাও ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৬, ধৰ্ম্ম-৩
চেহারাটি দেখ আগে
গুণ নির্ণয় কর তা’র,
সেটা আবার নিও মিলিয়ে
দেখে তাহার ব্যবহার;
ব্যবহারের সুবীক্ষণায়
অন্তর্গতি নির্ণয় ক’রো,
শিষ্ট-সুধী এমন নির্ণয়ে
কেমন লোকটি ধীইয়ে ধ’রো ;
ধীদৃষ্টির নজর রেখে
সমীচীনের তৎপরতায়,
বুঝে নিও ব্যক্তিত্বকে
জন্ম তাহার কী আভায়!
মোটামুটি হ’য়ে তুমি
এ অভ্যাসে এস্তামাল,
বিনিয়ে নিয়ে স্বভাবটাকে
তেমনতরই ধ’রো হাল।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৫, মনোবিজ্ঞান-৫৬
ভাল করার ব্যতিক্রমে
মন্দ করা আপনি আসে,
মন্দ কিন্তু মনে রেখো
ভাল’র দ্যুতি সদাই নাশে।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৫, নীতি-৪৩
নিষ্ঠা-আনুগত্য-কৃতির
তপে যা’রা স্নাত হয়,
সন্ধিৎসাতে প্রত্যয় লভে
ধৃতি-সম্পদ তা’রাই পায়।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৩, সাধনা-৪
সুনিষ্ঠ নয়কো যে—
শিষ্ট কি হয় সে?
মিথ্যা প্রীতির গা ঢাকা দিয়ে
ঠকিয়ে চলে সে ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৬, চরিত্র-১৮
