প্রাণঘাতী কত নেশায় মানুষ
বিভোর হ’য়ে মাতাল রয়,
ইষ্টনিষ্ঠার অটুট নেশায়
দেখ্ না সেধে কী ফল হয় !
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৬, সাধনা-২৬
অন্যের কুল-মর্য্যাদা রক্ষায়
কৃতি-বিজ্ঞ হ’বি যেমন,
কুলবৈশিষ্ট্য বিশেষত্বে
সম্মানিত হবে তেমন।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-২, আৰ্য্যকৃষ্টি-৭০
শিষ্ট সত্তায় ধৈর্য্য বাড়ে
কৰ্ম্ম বাড়ে ধী নিয়ে,
বিবেকদীপ্ত হৃদয় হয়ে
চলার পথে চলে ধেয়ে ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৬, কৰ্ম্ম-১৫
নজর রাখিস্ ঠিক ক’রে তুই
ইষ্টনিষ্ঠ হ’য়ে চলায়,
তাড়িয়ে দিয়ে সব যা-কিছু
হ’লে তাহার অন্তরায় ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৪, সাধনা-৩৯
ব্যতিক্রমদুষ্ট জীবন হ’লে
সার্থকতার রয় না বোধ,
নেওয়া দেওয়ার অর্থই সেথা
হ’য়ে থাকে স্বতঃই রোধ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৩, চরিত্র-৬৫
পূর্ব্বতনী যুগপুরুষের
ক্রমবিকাশ পরিণতি,
আরোতরে উছল করে
জানিস্ যাহার সংহতি—
উপ্চিয়ে সে পূর্ণ করে
পূর্ব্বতনে স্তরে স্তরে,
গজিয়ে ওঠে বিশ্বপটে
জনন-নীতি ধন্য ক’রে,
যেমন যুগে তেমন মানুষ
স্থিতির পূরণ গড়ন বয়,
উচ্ছলতায় চলেই চলে—
পূর্ণাবতার তাঁ’রেই কয় ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-১, সংজ্ঞা-১১১
সুসঙ্গত অর্থেতে তুই
ভাব যা-কিছুর পুষ্টি দিয়ে,
চল্ ওরে চল্ উদ্বর্দ্ধনায়
নিষ্ঠাভরা হৃদয় নিয়ে।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-২, কৰ্ম্ম-১০৫
পরের মুখে শুনবি যেটা
লক্ষ্য রেখে তা’তে,
চৌকস মিল হ’লে পরে
দ্বিধা কি আর নিতে?
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৩, নীতি-৭
জীবনীয় কৃতি যা’ -সব
চল, বল, কর তা’,
সফল দিয়ে ধন্য হও না—
তাইতো ন্যায়ের বারতা।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৫, শিক্ষা-১৪
খিম্ন যা’দের নিষ্ঠাধারা
একনিষ্ঠ হয়ই কম,
লোভের টোকা একটু পেলেই
ভাঙ্গেই তা’দের সত্তাদম,
বস্তুকে সে বিচার ক’রে
নিতে পারে না শিষ্ট যা’,
যেদিকে বাঁকে সেইটি ধরে—
এমনি তাদের বিকলতা,
আজকে যেটা ভাল হ’ল
অবস্থায় প’ড়ে মন্দ তা’,
শুদ্ধধারা নয়কো তারা
খিম্ন তাদের সততা।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৬, চরিত্র-৫৫
