অসৎ-অবিদ্যা যেটা
নিখুঁতভাবে সেটা জেনে,
সত্তাদীপী বিদ্যা যেটা—
অস্তিত্বতে নিও মেনে
অমর হওয়ার ঊর্জ্জনাতে
ভালমন্দ জান সব,
সত্তা তোমার অমরস্রোতা
হ’য়ে—আনুক সদবিভব।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৫, শিক্ষা-২২
নীতিবাক্য লাখ বলুক,
না হবে কী কা’র তা’য় ?
নীতির পথে চললে কিন্তু
সার্থকতাই পায়।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৫, নীতি-২
ইষ্টার্থ ভজন—শ্রেয়ভজন,
সবার শ্রেয়রাগে
চলতে থাক, ধ’রো নাকো
বৃত্তিবেঘোর বাগে ;
তাঁ’র জীবনের যে উদ্দেশ্য
তোমারও তা’ই হোক,
বিনায়নী তাৎপর্য্যেতে
রেখোই তা’রই রোখ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৫, ভজন-চৰ্য্যা-৫২
ইষ্টার্থটির ব্যতিক্রম যা’—
যতই মহান্ যেমন বলুক্
ধ’রবি নেকো, করবি নিরোধ
অসৎ-আপদ্ যা’ই আসুক।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৪, অসৎ-নিরোধ-৭৫
জীবনটা তোর বেড়ে উঠুক
তৃপ্তিভরা বৃষ্টি নিয়ে,
ধৃতি চলুক কৃষ্টি-পথে
সৎ-করণে জ্ঞান বিনিয়ে।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-২, আৰ্য্যকৃষ্টি-১৪
অকৃতজ্ঞ দেখবি যা’রা—
কথার নেইকো ঠিক,
ভদ্ৰ-শূদ্র হো’ক না যে সেই
আসলে বেল্লিক।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-২, চরিত্র-১০৬
দৈন্য যা’ সব দলন ক’রে
কৃতীর পথে ধা’ ওরে,
চরিত্রে তোর ইষ্টনিদেশ
মূৰ্ত্ত ক’রে—তাঁয় ধ’রে ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৭, সাধনা-৪৩
চর্য্যারত কৃতি জেনো—
ধৃতি সাধার সূত্রমূল,
বিনা-চর্য্যায় আসে কি ধৃতি ?—
সেটাই লোকের মস্ত ভুল ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৪, সেবা-৯
বাপ-ভাই-স্বামী পর যাহাদের
আপনে অন্য ভাবে,
কটুবৃত্তি তা’র হৃদয়-বিছানো
বাজ পড়ে তা’র লাভে।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৩, নারী-৩৪
বিবেচনায় ভাল ব’লেই
বুঝলে করবি তৎক্ষণাৎ,
নিরোধ করতে যাসনে তা’য়
করবি ইচ্ছার বাজিমাৎ ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-১, কৰ্ম্ম-কৌশল-৩০
