আচার-ব্যাভার শিষ্ট যা’র যা —
এতেই ফোটে প্রীতির চর্য্যা,
আপদে-বিপদে বুক পেতে রয়
সেথায় কিন্তু কমই ভয় ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৬, প্রীতিরাগ-২৪
ধৃতি-উদ্যম এমনি রাখিস্
ঐ সৌষ্ঠবে দিতে প্রাণ
ব্যত্যয়ী যা’ করবে নিরোধ
তা’তে কিন্তু নাহি আন্।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-২, আৰ্য্যকৃষ্টি-৭৪
সৎকে যা’রা বিদায় দিয়ে
অসৎ পথে চলতে থাকে,
অসতে হয় সর্ব্বহারা
পড়েই নানা দুর্বিপাকে।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-২, প্রবৃত্তি-৭
নিষ্ঠাবিহীন সাধক যে-জন
সাধনদীপ্তি নাইকো তা’র,
এলোমেলো যা’ তা’ নিয়ে
করেই শুধু জীবন ভার।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৭, সাধনা-৫৭
ঐতিহ্যকে স্থণ্ডিল ক’রে
নিষ্ঠানিটোল শ্রদ্ধাভরে,
জ্ঞান চয়নে উঠে দাঁড়াও
বিচক্ষণী কৃতি ধরে ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৫, আর্য্যকৃষ্টি-২০
প্রবৃত্তির সুনিয়ন্ত্রণে
প্রেষ্ঠচর্য্যায় লাগাও তা’,
যা’তে তাহার স্বস্তি বাড়ে
বাড়ে সত্তার দৃঢ়তা ;
এমনতর করতে করতেই
দেখতে পাবে ক্রমে ক্রমে,
নিষ্ঠা-অনুগতি-কৃতি
সত্তায় তোমার আসছে নেমে ;
অঙ্খলিত নিষ্ঠা আর
অনুগতি, কৃতি-আবেগ,
নেমে এলেই দেখবে ক্রমে
উন্নতিরও বাড়ছে বেগ ;
ব্যক্তিত্বটা এমন হবে—
ইষ্টার্থ ছাড়া স্বার্থ নেই,
ইষ্টার্থটাই সব দিক দিয়ে
তোমার স্বার্থ, জীবন-খেই ;
যে-দাঁড়াতে দাঁড়িয়ে তুমি
বিন্যাস-বিভূতি করবে লাভ,
ধী-টাও তোমার তেমনি হবে
কৃতির সাথে হবে ভাব।
স্বার্থ-প্রবৃত্তি-চৰ্য্যাবৃত্তি
অটুট চলায় চল্তি হ’য়ে,
পরিবেশকেও তোমার চর্য্যায়
ক্রমে ক্রমে আনবে ব’য়ে ;
ইষ্টনিষ্ঠা, অনুগতি,
কৃতি-সম্বেগ,ধৃতি নিয়ে
চৰ্য্যানিপুণ স্বস্তি-সহ
পরিবেশটা ফেলবে ছেয়ে ;
ধৰ্ম্ম-অর্থ-জ্ঞানদীপনা
সার্থকতায় তোমায় ধ’রে
শিষ্ট প্রভাব-বিভায় তোমার
সত্তায়-আভায় উঠবে স্ফুরে ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৪, প্রবৃত্তি-৬২
জীবন-দোলন দ্যুতি তোমার
চর্য্যাবিভোর ব্যবহার,
সুচারুতে অর্থ গেঁথে
করুক বোধের সমাহার।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৩, ব্যবহার-৯৭
ভালমন্দ বিচার ক’রে
দূরদৃষ্টির আলো দিয়ে,
কী স্বভাবে কী যে হবে
বুঝিস্ শিষ্ট হিসাব নিয়ে।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৩, নীতি-৮৬
ব্যতিক্রমী বা কুলশাসিত
যেথায় যেমন সংস্কার,–
তেমনতরই দেহ জীবন,
তেমনতরই ঝোঁক হয় তা’র।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৫, প্রজনন-৮
মা-মাসী-বোন নিজের যা’রা
টান মোটে নাই তা’র প্রতি,
পরের মা-বোন, পরের মাসী
নিয়েই যাহার সঙ্গতি,
মত্ত অলীক অজান বেকুব
বুঝেও বুঝতে চায় না যে,
অবাধ্যকাম অজানভাবে
ধরছেই, টের পায় না সে ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-১, বৃত্তিধর্ম্ম-১২৪
