ঐশী সেবায় চলতিস্ যদি
ইষ্টকে তুই স্থণ্ডিল ক’রে,
করপুটে অর্ঘ্য দিয়ে,—
উঠত পুণ্যে হৃদয় ভ’রে।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-২, ধর্ম্ম-১৪৭
আদর্শ পরণে মন নাই তোর
গবেষণার কণ্ডতি,
সবই ফক্কা, না হ’লে তোর
পূর্ব্বপরের সঙ্গতি।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৭, শিক্ষা-১
কাউকে আপন করতে হ’লেই
আপন আপন ভাববি তা’য়,
সপক্ষে তা’র করবি-কইবি
দেখবি দোষ তা’র উপেক্ষায় ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-১, ব্যবহার-৮৫
দোষগুলি সব আড়াল রেখে
মিষ্টি নিরোধ যত পারিস্,
তেমনি ক’রেই চলা-ফেরায়
জুটবে আপদ্ কমই জানিস্।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-২, অসৎ-নিরোধ-৩০
কৃতিস্রোতা নদীর মতন
তরতরে হ’য়ে চল্ ওরে!
তরতরানি সবে ঢুকে
ঊর্জ্জে’ উঠুক সব ধীরে।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-২, সাধনা-১৬
থাকায় আছে সার্থকতা,
না-থাকায় তা’ নাই,
থেকে—বেঁচে সার্থক হওয়ায়
বিধান বলে তা’ই।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৫, জীবনবাদ-২৪
আবৃত্তিতে জন্মে বোধ
বোধ-বিন্যাসে জ্ঞান,
চিন্তা-চলন সেই পথেতে
ওকেই বলে ধ্যান।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-২, সংজ্ঞা-৮
বহুদর্শী কৃতী লোকের
বোধ ও বুঝ যা’ শুনে নিয়ে
নিজের সাথে মিলিয়ে দেখবি,
করবি বিহিত হৃদয় দিয়ে ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৪, প্রজ্ঞা-১৬
কলুষহারা অস্তিবোধ
বৃত্তি-রংএ রঙ্গীল নয়,
সত্ত্বগুণী তা’কেই বলে
সুধীজনা এইটি কয় ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-১, সংজ্ঞা-৮১
দিচ্ছ তুমি, নিচ্ছে তোমার,
প্রীতির তোড়ে দিচ্ছে না,
ঠিক জেনো তা’র কৃতিতে নাই
বিভব-বিভা ঊর্জ্জনা।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৫, চরিত্র-৭
