কৃষ্ণ-রসুল বিভেদ ক’রে
বুদ্ধ-ঈশায় প্রভেদ গণিস্,
আরে ওরে ধৰ্ম্মকসাই
কুটিল দোজখ মনেই রাখিস্;
এক বাপেরই পাঁচটি ছেলে
দেখলি না তুই চোখটি মেলে,
কাউকে বাপের করলি স্বীকার
কাউকে বললি নয়,
কা’রে রে তুই দিলি ধিক্কার
গাইলি কাহার জয় ?
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-১, ধৰ্ম্ম-৪৪
নরক-ঘাঁটা মানুষেরও যদি
তেষ্টা চেষ্টা শুভ রয়,
কৃতির তালে তা’ই করে সে—
আস্তাকুঁড়ও তীর্থ হয়।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৩, সাধনা-৪২
বোধিসত্তা জাগ্রত যা’র
জ্ঞানদীপনা সেথায় রয়,
তৃপ্তিভরা দীপ্তি দিয়ে
লোকহৃদয় উচ্ছলয় ।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৬, ব্যবহার-১৩
সব ছাপিয়ে মনের আবেগ
নিছক টানে যেদিক্ ধায়,
অন্তরেতে বুঝে রাখিস্
হৃদয়টি তোর তাই-ই চায়।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৩, অনুরাগ-৩৬
নিষ্ঠা-অটুট অনুরাগই যে
দীক্ষা-শিক্ষার মূল ধারা—
নিষ্ঠানিপুণ গুরুতে হ’লে
বুঝে-দেখে যায় করা।
-শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
অনুশ্রুতি-৩, অনুরাগ-৫১
